→ ATOARRAHMAN left a message for you

Dear Atoarmonir.rnn2012:

You have a new message from ATOARRAHMAN.

Don't miss what ATOARRAHMAN have to say. Read his message now!


Read Message

This message is sent on behalf of ATOARRAHMAN MONIR.
Block future emails like thisPrivacy policy
Zorpia Co. Ltd. P. O. Box #28960, Gloucester Road Post Office, Hong Kong

Readmore »

রায়পুরে ২৪ বছর পর ছাত্রলীগের সম্মেলন




রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি, ২৪ বছর পর রায়পুর উপজেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা পরিষদ ডাকবাংলো মিলনায়তনে উপজেলা, পৌর ও কলেজ শাখা ছাত্রলীগের উদ্যোগে এ সম্মেলন হয়। সম্মেলন উদ্বোধন করেন লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ জামাল রিপন।উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক এবিএম বারাকাত বিন জাকারিয়া মারুফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম আলাউদ্দিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহিম, সদস্য অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ, রফিকুল হায়দার বাবুল পাঠান, অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক অর্থ সম্পাদক মো. ফয়সাল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া হলের সভাপতি রিফাত হোসেন জিকু প্রমুখ। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান পাটওয়ারী। প্রথম অধিবেশন শেষে সমঝোতার মাধ্যমে কমিটির নাম উল্লেখ করতে না পারায় জেলা কমিটি পরবর্তী সময়ে কমিটির তালিকা উল্লেখ করার ঘোষণা দেয়।
৭ জন অসুস্থ : রায়পুর উপজেলায় ভেজাল ও ফরমালিন মিশ্রিত আম খেয়ে একই পরিবারের তিনজনসহ এ পর্যন্ত সাতজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। সাতজনের মধ্যে রোববার সকালে ফরমালিন মিশ্রিত আম খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন উপজেলার দক্ষিণ গাইয়ারচর গ্রামের হাজি ছফিউল্যা বেপারী, মমিনুল ইসলাম ও হনুফা বেগম। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দুলাল চন্দ্র সূত্রধর বলেন, উপজেলার প্রতিটি হাটবাজারে ভেজালবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ফরমালিন মিশ্রিত আম খেয়ে অসুস্থ হওয়ার ব্যাপারে তদন্তসাপেক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Readmore »

রায়পুরে গৃহকর্মীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ আটক ১

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি ,লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার নতুনবাজার নামক স্থানে শনিবার রাতে এক গৃহকর্মীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ নিয়ে রায়পুর থানায় মামলা হলে পুলিশ পূর্বলাচ গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে আলমগীরকে আটক করে। জানা যায়, প্রতিদিনের মতো পৌর শহরের মধুপুর গ্রামের গৃহপরিচারিকা একটি বাসায় ঝিয়ের কাজ শেষে রাতে বাড়ি ফেরার পথে বখাটেদের কুনজরে পড়ে। ওই চক্রের আলমগীর তাকে মুখ চেপে তার চায়ের দোকানের পেছনে নিয়ে যায়। ওই সময় আরও কয়েকজন মিলে ওই গৃহকর্মীকে ধর্ষণ করে। অভিযুক্তরা হলো রিপন, আলমগীর ও লিটন। রায়পুর থানার এসআই আবুল বাশার গৃহকর্মীকে ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে।
পুলিশ এরই মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করেছে।
Readmore »

রায়পুরে বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশানো ফল বিক্রি হচ্ছে

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশিয়ে ফল পাকানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব ফল উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নির্বিঘ্নে বিক্রি হচ্ছে। জানা গেছে, উপজেলার প্রায় ২৬টি পয়েন্টের ফলের গুদামে এসব ফল পাকানো হচ্ছে।
সরেজমিন দেখা যায়, সেখানে আম এবং কাঁচা ও অপরিপুষ্ট কলা গুদামজাত করার পর বড় বড় বালতিতে এসব কেমিক্যাল মিশিয়ে রাখা পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখা হয়। পরে সেগুলো ছালা দিয়ে তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা ঢেকে রাখার পর তা পেকে বাহারি রঙ ধারণ করছে। শুধু কলা নয়, আপেল, আম, কমলা, আঙুর, নাশপাতি ও পেঁপেসহ পচনশীল ফলে স্প্র্রে করা হচ্ছে ফরমালিন।
শুরুতে খুব গোপনে এসব কাজ-কারবার করা হলেও এখন অনেকটা ওপেন সিক্রেট। এ ব্যাপারে জেলা সিভিল সার্জন মো. আবদুল্লাহ বলেন, এখন যেসব ফল মানুষ খাচ্ছে তা আত্মহত্যারই শামিল। এগুলো খেয়ে মানুষ তাৎক্ষণিক মারা যাচ্ছে না, তবে পাকস্থলি, লিভার ও কিডনিতে ইনফেকশনসহ বিভিন্ন ধরনের জটিলতা এমনকি ক্যান্সারেও আক্রান্ত হচ্ছে। ইউএনও দুলাল চন্দ্র সূত্রধর এ ব্যাপারে বলেন, অচিরেই ফলের বাজারে অভিযান চালানো হবে।
Readmore »

সন্দ্বীপে এমপি’র বাড়ী থেকে অস্ত্র উদ্ধার এমপি’র দু’ভাতিজা সহ গ্রেফতার-৩, পুলিশ সহ আহত-৬

ইলিয়াস কামাল বাবু, সন্দ্বীপ প্রতিনিধি:   
সন্দ্বীপে বিএনপি'র সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা'র বাড়ী থেকে বিপুল পরিমান অস্ত্র ও গোলা বারুদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সন্দ্বীপ থানা পুলিশ জানায়- শুক্রবার রাতে রহমতপুর কেঞ্জাতলী বাজারে বিএনপি সন্ত্রাসীদের হামলা ও লুটপাটের প্রেক্ষিতে পুলিশী অভিযানের এক পর্যায়ে ভোর ৫ টার দিকে তালতলীস্থ এমপি'র বাড়ীতে হানা দিয়ে এ সব অস্ত্র-শস্ত্র উদ্ধার করে। এ সময় ৮/১০ জন সন্ত্রাসী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র গুলোর মধ্যে-১টি কাটা বন্দুক, ১১ রাউন্ড তাজা গুলি, ২টি কিরিচ, ১ টি চাপাতি, ১ টি বাঁকা রড, ৯ টি রকেট লেজার (প্যারাসুট প্লেয়ার) ও সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন রয়েছে। পুলিশ অভিযানে গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে-এমপি'র ২ ভাতিজা আকিজ (৩০), নোমান (২২) ও পৌরসভার বাসিন্দা রিদওয়ান (৩০)। এদের মধ্যে আকিজ ও রিদওয়ান আহত থাকায় পুলিশ প্রহরায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে- শুক্রবার সন্ধ্যার পরে রহমতপুরের পার্শ্ববর্তী আজিমপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ৩ নেতার উপর বিএনপি'র চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা স্থানীয় মালেক ড্রাইভারের মুদি দোকানের সামনে হামলা চালিয়ে অপহরণের চেষ্টা করলে জনগনের প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়।  খবর পেয়ে সন্দ্বীপ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করে। হামলায় আহত ৩ জন হচ্ছেন- ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি মো: আকরাম(২৫), সেক্রেটারী মো: হান্নান (২২) ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো: ফরহাদ (২৩)। পুলিশ জানায়, আজিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন রিপন এবং তার ভাই আলতাফের নেতৃত্বে বিএনপি সমর্থিত সন্ত্রাসীরা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের উপর এ হামলা চালায়। অপর দিকে রাত ১১ টার দিকে তালতলী এলাকা থেকে ২৫/৩০ জনের একটি সশস্ত্র দল বিএনপি'র সমর্থনে মিছিল নিয়ে রহমতপুর কেঞ্জাতলী বাজারে গিয়ে ১ টি ক্লাব ঘর সহ ২০/৩০ টি দোকানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময় কেঞ্জাতলীর একটি দোকান থেকে সাংবাদিক ইলিয়াস কামাল বাবু'র ছোট ভাইয়ের ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি নিয়ে যায়। পরে চেয়ারম্যান মামুনের সহযোগীতায় তালতলী বাজার থেকে এটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সময় বেশ ক'রাউন্ড গুলির শব্দও শোনা যায় বলে এলাকাবাসী জানায়। ঘটনার পরপরই সন্দ্বীপ থানার অফিসার ইনচার্জ কেঞ্জাতলী বাজার পরিদর্শন করেন। এ দিকে রাতভর পুলিশি অভিযানের এক পর্যায়ে বিএনপি সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র সংঘবদ্ব হওয়ায় গোপন খবর পেয়ে এসআই আক্কাস আলী, মোহন লাল, দেলোয়ার হোসেন, হেলাল উদ্দীন ও আজহারের নেতৃত্বে বিএনপি'র এমপি মোস্তফা কামাল পাশা'র বৈঠক খানায় হানা দেয়। পুলিশি উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্র ফেলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায় বলে পুলিশ জানায়। সন্দ্বীপ থানার ওসি রেফায়েত উল্যা চৌধুরী জানান-অস্ত্র, হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। এদিকে বিএনপি নেতা ও এমপি'র ভাতিজা চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান মামুন বলেন-আওয়ামী সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপস্থিতিতে আমার নিজ বাড়ীতে আমার ছোট ভাইদেরকে মারধর করে পরে পুলিশ তাদেরকে ধরে নিয়ে যায়। বিএনপি সাংসদ মোস্তফা কামাল পাশার বাড়ী থেকে উদ্ধার করা অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন- আমি ঘটনার সময় বাড়ীতে ছিলাম না। এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। অস্ত্র উদ্ধারের স্থান আমার বসত ঘর থেকে দুরে। পূর্বেও আমার বিরুদ্ধে এ রকম ষড়যন্ত্র হয়েছে। এ দিকে শনিবার সকালে পূর্বের রাতে সংঘঠিত সন্ত্রাসীদের হামলা ও লুটপাটের প্রতিবাদে রহমতপুর কেঞ্জাতলী এলাকার ব্যবসায়ীরা ভোর থেকে দোকান পাট বন্ধ করে ঘটনার প্রতিবাদ জানায়। এ সময় পৌর মেয়র জাফর উল্যা টিটু ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দোকানপাট পরিদর্শনে গেলে ব্যবসায়ীরা বারবার তাদের উপর রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বশত: হামলা চালানো হয় বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে পৌর মেয়র সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস প্রদান করলে সকাল ১০ টায় ব্যবসায়ীরা পুনরায় দোকান পাট চালু করেন। পুলিশ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রনে রয়েছে বলে দাবী করলেও এলাকায় উত্তেজনা ও থমথমে ভাব বিরাজ করছে। 



Readmore »

অনুমোদনহীন প্রাইভেট হাসপাতাল :: মাইকিং প্রচারনায় শিক্ষার্থীরা অতিষ্ট


আরএনএন বিশেষ প্রতিনিধিঃ 
রায়পুরে অনুমোদনহীন প্রাইভেট হাসপাতালের রুগী আকৃষ্ট প্রচারনায় বিঘিœত হচ্ছে শিার্থিদের পাঠ দানের ব্যবস্থা। জানা যায়, ব্যাঙের ছাতার  মত সরকারীভাবে অনুমোদন না নিয়ে গড়ে প্রাইভেট হাসপাতাল ও কিনিক। এসব প্রতিষ্ঠানের রুগী আকৃষ্ট প্রচারনায় মাইকিং যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছেন শিার্থি সহ সাধারণ মানুষ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, রায়পুর উপজেরা শহরের বিভিন্ন স্থানে মাতৃছায়া হাসপাতাল ও সেবা প্রাইভেট হাসপাতাল লিঃ ২ টি প্রাইভেট হাসপাতাল লাইসেন্স-প্রাপ্ত রয়েছে।
সম্প্রতি রায়পুরে অনুমোদনহীন হায়দরগঞ্জ বাজারে অবস্থিত নিউ মাতৃছায়া হাসপাতাল, রায়পুর পৌর শহরের উপজেলা পরিষদ সড়কে মেঘনা হাসপাতাল, টিএনটি সড়কে মেহেরুন্নেছা হাসপাতাল ও রায়পুর- লক্ষ্মীপুর সড়কে রায়পুর সরকারী হাসপাতালের সামনে মর্ডাণ হাসপাতাল গড়ে ওঠে। নতুন ভাবে গড়ে ওঠে। তাদের পরিচিতি ও তাদের সেবা সমূহ রোগীদের  মাঝে আকৃষ্ট করতে প্রতিযোগিতায় বেড়ে ওঠে মাইকিং প্রচারনা। স্কুল সময়ে বিদ্যালয়ের পাশদিয়ে রায়পুর পৌর শহর সহ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাদের মাইকিং প্রচারনায় শিার্থীদের পাঠদানে বিঘিœত হচ্ছে। শায়েস্তানগর মাদ্রাসর ছাত্র মোঃ মানোয়ার হোসেন বলেন, বাড়ি থেকে মাদ্রাসার পড়া মুখস্ত করে যেতেই হাসপাতালের মাইকিং প্রচারনায় তা ভুলে যাই। এবং আসা যাওয়ার পথে মাইকিং অতিষ্টতায় তার মাথা ব্যাথা বেড়ে যায় বলে জানায়। এছাড়াও রায়পুর বাজারের ব্যবসায়ী জহির রহমান জানান, মাইকিং যন্ত্রনায় কাজ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। উচ্চ আওয়াজের শব্দের কারণে প্রায়শঃ মাথা ব্যথায় ভুগতে হচ্ছে। তাছাড়া কাস্টমারের সাথে কথা-বার্তা বলাতেও অসুবিধা হচ্ছে।
জানা গেছে, রায়পুর পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে রায়পুর মাচ্চেন্টস, রায়পুর এল এম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রায়পুর ষ্টেশন মডেল, রায়পুর আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, রায়পুর মহিলা কলেজ সহ সাউথ এশিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ -এ ছাত্র ছাত্রীরা পাঠদান করছেন। এদিকে নৈব্যভাবে অনুমোদনহীন হাসপাতালের রোগী আকৃষ্ট প্রচারনায় তাদের সহ অর্ধ শত বিদ্যালয়ের পাঠদানের বিঘœ সৃষ্টি করছ্।ে এ ব্যপারে রায়পুর মর্ডান হাসপাতালের পরিচালক ইমরান কবির জুয়েল বলেন, প্রচারনায় বাধা নেই। কারও সাময়িক তি হলেও ঐ সব পরিবার সহ অন্যান্যদের  অসুখ বিসুখের সু-চিকিৎসার জন্যই এ মাইকিং প্রচারনা। রায়পুর উপজেলা প্রাথমিক শিা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) বেলায়েত হোসেন বলেন, মাইকিং অতিষ্টতায় ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান ব্যাহত ব্যপারটি এমন করে ভাবিনি। দ্রুত উপজেলা পরিষদের সমন্বয় সভায় এ ব্যাপারে  আলোচনা  করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
যোগাযোগ করা হলে লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ বলেন, অনুমোদন নিয়েই প্রাইভেট হাসপাতাল চালাতে সরকারীভাবে অনেক নিয়ম নীতি  মেনে চলতে হয়। আর অনুমোদনহীন হাসপাতাল গুলো তাদের সেবা ও সিভিল সার্জন অফিস হতে সুপারিশের ভিত্তিতেই তারা অনুমোদন লাভ করে। কোন বেসরকারী হাসপাতাল প্রচারণায় মাইকিং ও পোষ্টার করা সম্পূর্ণ নিষেধ। ইতোমধ্যে রায়পুরে যেসব অনুমোদনহীন হাসপাতাল গড়ে ওঠেছে দ্রুত পরিদর্শনে গিয়ে ওসব প্রতিষ্ঠানে সিলগালা করে দেওয়ার কথা জানান।
Readmore »

রায়পুরে স্লুইস গেটের মুখে পলি ও নদীতে চর : নৌযান চলাচল বন্

আতোয়ার রহমান মনির,
দেশের বৃহত্তর চাঁদপুর সেচ প্রকল্পের লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার হাজীমারা স্লুইস গেটের বাইরের মুখে পলি মাটি জমাট হয়ে আছে। এ ছাড়া বাইরে প্রায় ১০০ গজ দূরে নদীর মাঝে জেগে উঠেছে চর। ফলে জাহাজ ও কার্গোসহ নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ইজারাদার লোকসানের মুখে পড়েছেন। জরুরি ভিত্তিতে ড্রেজিং না করা হলে আগামী বছর থেকে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব হারাবে সরকার। এদিকে সেচ প্রকল্পের ভেতরে ১০০ কিলোমিটার এলাকায় এই বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে ফসলহানির আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন রয়েছেন হাজারো কৃষক।
রায়পুর পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয় সূত্র জানায়, বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য পাউবোর অধীনে ১৯৬৩ সাল থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুরের ৬টি উপজেলার ১০০ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে চাঁদপুর সেচ প্রকল্পের বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়। এ প্রকল্পের ভেতরে লক্ষ্মীপুর সদর, রায়পুর, রামগঞ্জ, চাঁদপুর সদর, হাইমচর ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৫৩.৩৬৩ হেক্টর ফসলি জমি রয়েছে। প্রকল্পের পানি নিষ্কাশনের জন্য হাজীমারা এলাকায় অত্যাধুনিক স্লুইস গেট নির্মাণ করা হয়।
রায়পুর শহর থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দূরের হাজীমারা গিয়ে লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত তিন বছর ধরে স্লুইস গেটের বাইরে পলি মাটি জমেছে এবং ১০০ গজ দূরে নদীর মধ্যে চর জেগেছে। গেল বছর পাউবো ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে স্লুইস গেটের ভেতরে ও বাইরের অংশ ড্রেজিং করার কথা থাকলেও শুধু ভেতরের অংশের মাটি অপসারণ করা হয়। কিন্তু বাইরের অংশ ড্রেজিং করা হয়নি। বর্তমানে স্লুইস গেটের বাইরের অংশে ভাটার সময় নদী সম্পূর্ণ শুকিয়ে যায়। এ সময় লোকজন নদীর ওপর দিয়ে হেঁটে চলাচল করে। ২নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের চরকাছিয়া গ্রামের আবুল কাশেম ও দিদারুল ইসলাম জানায়, জরুরি ভিত্তিতে নদী ড্রেজিং করা দরকার। স্লুুইস গেটের সামনের নদীতে পলি জমাটের কারণে জেলেরা নদীতে যেতে পারেন না। এ কারণে অনেককে অনাহারে-অর্ধাহারে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। ২-১টি কার্গো জোয়ারের সময় স্লুইস গেট পার হতে পারলেও মুদি মালপত্র ও ইট বোঝাই অনেক কার্গোসহ নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
স্টু্নইস গেট ইজারাদার চাঁদপুরের হালিরঘাট এলাকার মোঃ হারুন গাজী বলেন, বর্তমানে স্লুইস গেট দিয়ে নৌকা, জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। গেটের সামনে পলি জমাট ও ১০০ গজ দূরে পরপর কয়েকটি চর জাগার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আমি যে টাকা দিয়ে ইজারা নিয়েছি এর অর্ধেকও উত্তোলন করতে পারিনি। পাউবো হাজীমারার উপ-সহকারী মোঃ আবু হানিফ বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলে টেন্ডারের মাধ্যমে পলি মাটি অপসারণের কাজ শুরু করা হবে।

Readmore »

মেঘনাই দুঃখ মেঘনাই স্বপ্ন



আতোয়ার রহমান মনির,  বছরজুড়ে মাছ ধরলেও মৌসুম হিসেবে দুটি সময় ধার্য করেন জেলেরা। সেই মৌসুমের একটি জ্যৈষ্ঠ থেকে শুরু হলেও লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে এখনও প্রত্যাশিত ইলিশ পাচ্ছেন না তারা। পর্যাপ্ত মাছ না পাওয়ায় বর্তমানে পরিবার নিয়ে জেলেদের প্রাণধারণ কষ্টকর হয়ে পড়েছে। জালে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়বে এ স্বপ্ন নিয়েই এখন মেঘনায় ঘুরছেন জেলেরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভর মৌসুমেও মেঘনায় ইলিশের আকাল চলছে।। প্রত্যাশা অনুযায়ী মাছ না পাওয়ায় জেলেরা হতাশ। প্রতি বছর জোয়ারের পানিতে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়লেও এ বছর মৌসুমের শুরু থেকেই সেই চিত্রের দেখা মিলছে না।লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের চর বংশী গ্রামের জেলে নুর ইসলাম মোল্লা (৩৯)। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তিনি নদীতে সময় কাটিয়েছেন। কিন্তু ইলিশের ডালার অর্ধেকও তিনি ভর্তি করতে পারেননি। তাই ঘাটে ভিড়ানো নৌকায় গালে হাত দিয়ে বসেছিলেন নুর ইসলাম। কী ভাবছেন জিজ্ঞেস করতেই দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে বললেন, 'কি আর ভাববো ভাই। নদীতে ফসল (মাছ) নাই। সারাদিনেও আধা ডালা মাছ মিলে না। কী করুম ভাবতাছি।'
তার কথা শেষ হতে না হতেই সত্তরোর্ধ্ব জেলে আলমগীর মাঝি সিলভারের থালায় কিছু মাছ নিয়ে এলেন। সেগুলো দেখিয়ে তিনি বলেন, 'সারাদিন জাল টেনে এক থালা মাছও পাওয়া যায় না। আগে এমন দিনে নদীর পাড় দিয়ে পুঁটি মাছ গড়াইয়া যাইত। সার কীটনাশকে মাছ শেষ কইরা ফালাইছে। এখন নদীতে খালি পানি, মাছ নাই।'
মাছ না পাওয়ার এমন আক্ষেপ শোনা গেল জেলে রফিজল, মোকলেছ, সুফিয়ান, হাসেম, আনোয়ার, হাছন আলী, দুদু মিয়া ও ছায়দুলের কণ্ঠেও। ভর মৌসুমেও মেঘনায় পর্যাপ্ত ইলিশ না পেয়ে চিন্তিত লক্ষ্মীপুরের মেঘনাপাড়ের জেলে পল্লীর মানুষরা। পরিবার-পরিজন নিয়ে কীভাবে দিনযাপন করবেন সেই চিন্তায় তারা এখন অস্থির। যাদের হাতে অল্প কিছু পুঁজি আছে পুকুরে মাছ চাষের পর তা বাজারে বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন।
সূত্র জানায়, বেশকিছু কারণে মেঘনায় ইলিশের আকাল পড়েছে। এসব কারণের মধ্যে রয়েছে নদীর নাব্যতা হ্রাস, নদী দূষণ, ইঞ্জিনচালিত যানবাহন চলাচলসহ বিভিন্ন কারণে মাছের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস। এসব ব্যাপারে এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া না গেলে ভবিষ্যতে আরও কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে জেলেদের।জানা যায়, এক সময় মেঘনা নদীর মাছের ঐতিহ্য ছিল পুরো দেশব্যাপী। নদীতে সারাবছরই বোয়াল, চিতল, রুই, কাতলা, আইড়, ছোট-বড় খুলি, লাচু, মলা-ঢেলা, পুঁটি-সরপুঁটি, কাইক্যা, চিতল, গইন্যা, শোল, গজার, পাবদাসহ বিভিন্ন প্রজাতির চিংড়ি, বাইম, কৈ, শিং, মাগুর প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যেত। উপকূলীয় এলাকার কয়েক হাজার জেলে মেঘনার মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। জেলেরা সারা বছর নদীতে মাছ ধরলেও তারা মাছ পাওয়ার মৌসুমকে দুটি ভাগে ভাগ করে নিয়েছেন। এর মধ্যে একটি বর্ষার শুরু থেকে মাঝামাঝি এবং অন্যটি শুকনো মৌসুম অর্থাৎ নদীর পানি কমে যাওয়ার শুরু থেকে ফাল্গুন-চৈত্র পর্যন্ত। দু'মৌসুমে ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। বর্ষাকালে ছোট-বড় খুলি, লাচু, মলা-ঢেলা, বাইলা, পুঁটি-সরপুঁটি, কাইক্যা, চিতল, গইন্যাসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রচুর চিংড়ি মাছ পাওয়া যায়। অন্যদিকে শুকনো মৌসুমে পাওয়া যায় বোয়াল, রুই, কাতলা, কৈ, শিং, মাগুর, শোল, গজার, টাকি, টেংরা ও মেনি মাছ। এ মাছের ওপর নির্ভর করেই লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় গড়ে উঠেছে ১০-১২টি মাছের আড়ত। আবার এসব আড়তের কারণে মাছ সংরক্ষণের জন্য স্থাপিত হয়েছে ৪০টি আইস ফ্যাক্টরি। এতে অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থানও হয়েছে।রায়পুরসহ লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন উপজেলার ব্যবসায়ীরা প্রতি বছর মাছ ব্যবসায় লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। কিন্তু কয়েক বছর ধরে মেঘনায় পর্যাপ্ত মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। মাছ সংকট চলতি বছর আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। বলতে গেলে জেলেরা প্রায় খালি হাতেই ফিরছেন নদী থেকে। এতে ভীষণ কষ্টে পড়েছেন দরিদ্র জেলে পরিবারগুলো। পরিবার নিয়ে দু'বেলা দু'মুঠো ভাতের ব্যবস্থা করাও বর্তমানে তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা এ ভেবে অস্থির_ সামনেও যদি পর্যাপ্ত মাছ পাওয়া না যায় তাহলে তারা কি করবেন। তাদের কাছে পর্যাপ্ত পুঁজিও নেই যে অন্য কোনো ব্যবসা করবেন। তাছাড়া মাছ ধরা ছাড়া অন্য কোনো কাজও জানা নেই তাদের!
বাপ দাদার আমল থেকেই মাছ শিকারই মেঘনাপাড়ের বাসিন্দাদের একমাত্র পেশা। মাছ শিকার
Readmore »