আরএনএন বিশেষ প্রতিনিধিঃ
রায়পুরে অনুমোদনহীন প্রাইভেট হাসপাতালের রুগী আকৃষ্ট প্রচারনায় বিঘিœত হচ্ছে শিার্থিদের পাঠ দানের ব্যবস্থা। জানা যায়, ব্যাঙের ছাতার মত সরকারীভাবে অনুমোদন না নিয়ে গড়ে প্রাইভেট হাসপাতাল ও কিনিক। এসব প্রতিষ্ঠানের রুগী আকৃষ্ট প্রচারনায় মাইকিং যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছেন শিার্থি সহ সাধারণ মানুষ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, রায়পুর উপজেরা শহরের বিভিন্ন স্থানে মাতৃছায়া হাসপাতাল ও সেবা প্রাইভেট হাসপাতাল লিঃ ২ টি প্রাইভেট হাসপাতাল লাইসেন্স-প্রাপ্ত রয়েছে।
সম্প্রতি রায়পুরে অনুমোদনহীন হায়দরগঞ্জ বাজারে অবস্থিত নিউ মাতৃছায়া হাসপাতাল, রায়পুর পৌর শহরের উপজেলা পরিষদ সড়কে মেঘনা হাসপাতাল, টিএনটি সড়কে মেহেরুন্নেছা হাসপাতাল ও রায়পুর- লক্ষ্মীপুর সড়কে রায়পুর সরকারী হাসপাতালের সামনে মর্ডাণ হাসপাতাল গড়ে ওঠে। নতুন ভাবে গড়ে ওঠে। তাদের পরিচিতি ও তাদের সেবা সমূহ রোগীদের মাঝে আকৃষ্ট করতে প্রতিযোগিতায় বেড়ে ওঠে মাইকিং প্রচারনা। স্কুল সময়ে বিদ্যালয়ের পাশদিয়ে রায়পুর পৌর শহর সহ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাদের মাইকিং প্রচারনায় শিার্থীদের পাঠদানে বিঘিœত হচ্ছে। শায়েস্তানগর মাদ্রাসর ছাত্র মোঃ মানোয়ার হোসেন বলেন, বাড়ি থেকে মাদ্রাসার পড়া মুখস্ত করে যেতেই হাসপাতালের মাইকিং প্রচারনায় তা ভুলে যাই। এবং আসা যাওয়ার পথে মাইকিং অতিষ্টতায় তার মাথা ব্যাথা বেড়ে যায় বলে জানায়। এছাড়াও রায়পুর বাজারের ব্যবসায়ী জহির রহমান জানান, মাইকিং যন্ত্রনায় কাজ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। উচ্চ আওয়াজের শব্দের কারণে প্রায়শঃ মাথা ব্যথায় ভুগতে হচ্ছে। তাছাড়া কাস্টমারের সাথে কথা-বার্তা বলাতেও অসুবিধা হচ্ছে।
জানা গেছে, রায়পুর পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে রায়পুর মাচ্চেন্টস, রায়পুর এল এম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রায়পুর ষ্টেশন মডেল, রায়পুর আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, রায়পুর মহিলা কলেজ সহ সাউথ এশিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ -এ ছাত্র ছাত্রীরা পাঠদান করছেন। এদিকে নৈব্যভাবে অনুমোদনহীন হাসপাতালের রোগী আকৃষ্ট প্রচারনায় তাদের সহ অর্ধ শত বিদ্যালয়ের পাঠদানের বিঘœ সৃষ্টি করছ্।ে এ ব্যপারে রায়পুর মর্ডান হাসপাতালের পরিচালক ইমরান কবির জুয়েল বলেন, প্রচারনায় বাধা নেই। কারও সাময়িক তি হলেও ঐ সব পরিবার সহ অন্যান্যদের অসুখ বিসুখের সু-চিকিৎসার জন্যই এ মাইকিং প্রচারনা। রায়পুর উপজেলা প্রাথমিক শিা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) বেলায়েত হোসেন বলেন, মাইকিং অতিষ্টতায় ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান ব্যাহত ব্যপারটি এমন করে ভাবিনি। দ্রুত উপজেলা পরিষদের সমন্বয় সভায় এ ব্যাপারে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
যোগাযোগ করা হলে লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ বলেন, অনুমোদন নিয়েই প্রাইভেট হাসপাতাল চালাতে সরকারীভাবে অনেক নিয়ম নীতি মেনে চলতে হয়। আর অনুমোদনহীন হাসপাতাল গুলো তাদের সেবা ও সিভিল সার্জন অফিস হতে সুপারিশের ভিত্তিতেই তারা অনুমোদন লাভ করে। কোন বেসরকারী হাসপাতাল প্রচারণায় মাইকিং ও পোষ্টার করা সম্পূর্ণ নিষেধ। ইতোমধ্যে রায়পুরে যেসব অনুমোদনহীন হাসপাতাল গড়ে ওঠেছে দ্রুত পরিদর্শনে গিয়ে ওসব প্রতিষ্ঠানে সিলগালা করে দেওয়ার কথা জানান।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, রায়পুর উপজেরা শহরের বিভিন্ন স্থানে মাতৃছায়া হাসপাতাল ও সেবা প্রাইভেট হাসপাতাল লিঃ ২ টি প্রাইভেট হাসপাতাল লাইসেন্স-প্রাপ্ত রয়েছে।
সম্প্রতি রায়পুরে অনুমোদনহীন হায়দরগঞ্জ বাজারে অবস্থিত নিউ মাতৃছায়া হাসপাতাল, রায়পুর পৌর শহরের উপজেলা পরিষদ সড়কে মেঘনা হাসপাতাল, টিএনটি সড়কে মেহেরুন্নেছা হাসপাতাল ও রায়পুর- লক্ষ্মীপুর সড়কে রায়পুর সরকারী হাসপাতালের সামনে মর্ডাণ হাসপাতাল গড়ে ওঠে। নতুন ভাবে গড়ে ওঠে। তাদের পরিচিতি ও তাদের সেবা সমূহ রোগীদের মাঝে আকৃষ্ট করতে প্রতিযোগিতায় বেড়ে ওঠে মাইকিং প্রচারনা। স্কুল সময়ে বিদ্যালয়ের পাশদিয়ে রায়পুর পৌর শহর সহ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাদের মাইকিং প্রচারনায় শিার্থীদের পাঠদানে বিঘিœত হচ্ছে। শায়েস্তানগর মাদ্রাসর ছাত্র মোঃ মানোয়ার হোসেন বলেন, বাড়ি থেকে মাদ্রাসার পড়া মুখস্ত করে যেতেই হাসপাতালের মাইকিং প্রচারনায় তা ভুলে যাই। এবং আসা যাওয়ার পথে মাইকিং অতিষ্টতায় তার মাথা ব্যাথা বেড়ে যায় বলে জানায়। এছাড়াও রায়পুর বাজারের ব্যবসায়ী জহির রহমান জানান, মাইকিং যন্ত্রনায় কাজ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। উচ্চ আওয়াজের শব্দের কারণে প্রায়শঃ মাথা ব্যথায় ভুগতে হচ্ছে। তাছাড়া কাস্টমারের সাথে কথা-বার্তা বলাতেও অসুবিধা হচ্ছে।
জানা গেছে, রায়পুর পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে রায়পুর মাচ্চেন্টস, রায়পুর এল এম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রায়পুর ষ্টেশন মডেল, রায়পুর আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, রায়পুর মহিলা কলেজ সহ সাউথ এশিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ -এ ছাত্র ছাত্রীরা পাঠদান করছেন। এদিকে নৈব্যভাবে অনুমোদনহীন হাসপাতালের রোগী আকৃষ্ট প্রচারনায় তাদের সহ অর্ধ শত বিদ্যালয়ের পাঠদানের বিঘœ সৃষ্টি করছ্।ে এ ব্যপারে রায়পুর মর্ডান হাসপাতালের পরিচালক ইমরান কবির জুয়েল বলেন, প্রচারনায় বাধা নেই। কারও সাময়িক তি হলেও ঐ সব পরিবার সহ অন্যান্যদের অসুখ বিসুখের সু-চিকিৎসার জন্যই এ মাইকিং প্রচারনা। রায়পুর উপজেলা প্রাথমিক শিা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) বেলায়েত হোসেন বলেন, মাইকিং অতিষ্টতায় ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান ব্যাহত ব্যপারটি এমন করে ভাবিনি। দ্রুত উপজেলা পরিষদের সমন্বয় সভায় এ ব্যাপারে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
যোগাযোগ করা হলে লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ বলেন, অনুমোদন নিয়েই প্রাইভেট হাসপাতাল চালাতে সরকারীভাবে অনেক নিয়ম নীতি মেনে চলতে হয়। আর অনুমোদনহীন হাসপাতাল গুলো তাদের সেবা ও সিভিল সার্জন অফিস হতে সুপারিশের ভিত্তিতেই তারা অনুমোদন লাভ করে। কোন বেসরকারী হাসপাতাল প্রচারণায় মাইকিং ও পোষ্টার করা সম্পূর্ণ নিষেধ। ইতোমধ্যে রায়পুরে যেসব অনুমোদনহীন হাসপাতাল গড়ে ওঠেছে দ্রুত পরিদর্শনে গিয়ে ওসব প্রতিষ্ঠানে সিলগালা করে দেওয়ার কথা জানান।

