রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশিয়ে ফল পাকানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব ফল উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নির্বিঘ্নে বিক্রি হচ্ছে। জানা গেছে, উপজেলার প্রায় ২৬টি পয়েন্টের ফলের গুদামে এসব ফল পাকানো হচ্ছে।
সরেজমিন দেখা যায়, সেখানে আম এবং কাঁচা ও অপরিপুষ্ট কলা গুদামজাত করার পর বড় বড় বালতিতে এসব কেমিক্যাল মিশিয়ে রাখা পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখা হয়। পরে সেগুলো ছালা দিয়ে তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা ঢেকে রাখার পর তা পেকে বাহারি রঙ ধারণ করছে। শুধু কলা নয়, আপেল, আম, কমলা, আঙুর, নাশপাতি ও পেঁপেসহ পচনশীল ফলে স্প্র্রে করা হচ্ছে ফরমালিন।
শুরুতে খুব গোপনে এসব কাজ-কারবার করা হলেও এখন অনেকটা ওপেন সিক্রেট। এ ব্যাপারে জেলা সিভিল সার্জন মো. আবদুল্লাহ বলেন, এখন যেসব ফল মানুষ খাচ্ছে তা আত্মহত্যারই শামিল। এগুলো খেয়ে মানুষ তাৎক্ষণিক মারা যাচ্ছে না, তবে পাকস্থলি, লিভার ও কিডনিতে ইনফেকশনসহ বিভিন্ন ধরনের জটিলতা এমনকি ক্যান্সারেও আক্রান্ত হচ্ছে। ইউএনও দুলাল চন্দ্র সূত্রধর এ ব্যাপারে বলেন, অচিরেই ফলের বাজারে অভিযান চালানো হবে।
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশিয়ে ফল পাকানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব ফল উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নির্বিঘ্নে বিক্রি হচ্ছে। জানা গেছে, উপজেলার প্রায় ২৬টি পয়েন্টের ফলের গুদামে এসব ফল পাকানো হচ্ছে।
সরেজমিন দেখা যায়, সেখানে আম এবং কাঁচা ও অপরিপুষ্ট কলা গুদামজাত করার পর বড় বড় বালতিতে এসব কেমিক্যাল মিশিয়ে রাখা পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখা হয়। পরে সেগুলো ছালা দিয়ে তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা ঢেকে রাখার পর তা পেকে বাহারি রঙ ধারণ করছে। শুধু কলা নয়, আপেল, আম, কমলা, আঙুর, নাশপাতি ও পেঁপেসহ পচনশীল ফলে স্প্র্রে করা হচ্ছে ফরমালিন।
শুরুতে খুব গোপনে এসব কাজ-কারবার করা হলেও এখন অনেকটা ওপেন সিক্রেট। এ ব্যাপারে জেলা সিভিল সার্জন মো. আবদুল্লাহ বলেন, এখন যেসব ফল মানুষ খাচ্ছে তা আত্মহত্যারই শামিল। এগুলো খেয়ে মানুষ তাৎক্ষণিক মারা যাচ্ছে না, তবে পাকস্থলি, লিভার ও কিডনিতে ইনফেকশনসহ বিভিন্ন ধরনের জটিলতা এমনকি ক্যান্সারেও আক্রান্ত হচ্ছে। ইউএনও দুলাল চন্দ্র সূত্রধর এ ব্যাপারে বলেন, অচিরেই ফলের বাজারে অভিযান চালানো হবে।
