লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চর আবাবিল গ্রামের শেষ প্রান্তে হাইমচর উপজেলার চর ভৈরবী পাড়া থেকে স্থানীয় লোকজন শনিবার সকালে পানিবিহীন গর্ত থেকে ৩মণ জাটকা ইলিশ মাছ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ৩ মণ জাটকা মৎস্য বিভাগের লোকজনের সহযোগিতায় বিনষ্ট করার খবর পাওয়া গেছে। জানা গেছে, সরকার ঘোষিত সময়ে জাটকা আহরণ নিষিদ্ধ হলেও তা না মেনে মাছ শিকার করে মাটির গর্তে মজুত রেখে তা অন্যত্র বিক্রয় করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হন হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী গ্রামের রনজিত পালের ছেলে লাডুু। সে দীর্ঘদিন থেকে মাছ শিকার করে আসছিল।
এদিকে গত ১লা মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মেঘনায় জাটকা ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়। নিষিদ্ধ সময়ে জাটকা ইলিশের দাম বেশি হওয়ায় চাঁদপুর, রায়পুর সহ বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিনিয়ত সে মাছ সরবরাহ করার অভিযোগ ওঠেছে লাডু মিয়ার বিরুদ্ধে। শনিবার সকালে টের পেয়ে তার বাড়ির নিকটবর্তী বাগানে হানা দিয়ে পানিবিহীন একটি গর্ত থেকে তার ৩ মণ জাটকা উদ্ধার করে এলাকাবাসী। উদ্ধারকৃত মাছ সহ তাকে বিচারের আওতায় আনতে এলাকাবাসী চর আবাবিল ইউপির কার্যালয়ে হাজির করা হয়। রায়পুর উপজেলার মৎস্য বিভাগের লোকজনকে খবর পেয়ে ইউপি কার্যালয়ে উপস্থিত হলে লাডু মিয়া অবস্থা বেগতিক দেখে পালিয়ে যায়।
এদিকে গত ১লা মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মেঘনায় জাটকা ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়। নিষিদ্ধ সময়ে জাটকা ইলিশের দাম বেশি হওয়ায় চাঁদপুর, রায়পুর সহ বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিনিয়ত সে মাছ সরবরাহ করার অভিযোগ ওঠেছে লাডু মিয়ার বিরুদ্ধে। শনিবার সকালে টের পেয়ে তার বাড়ির নিকটবর্তী বাগানে হানা দিয়ে পানিবিহীন একটি গর্ত থেকে তার ৩ মণ জাটকা উদ্ধার করে এলাকাবাসী। উদ্ধারকৃত মাছ সহ তাকে বিচারের আওতায় আনতে এলাকাবাসী চর আবাবিল ইউপির কার্যালয়ে হাজির করা হয়। রায়পুর উপজেলার মৎস্য বিভাগের লোকজনকে খবর পেয়ে ইউপি কার্যালয়ে উপস্থিত হলে লাডু মিয়া অবস্থা বেগতিক দেখে পালিয়ে যায়।
