রায়পুরে ইসলামী ব্যাংকের সহযোগিতায় প্রতারণার অভিযোগ

লক্ষ্মীপুর : ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে দোকান না  পুড়লেও ১০ লক্ষ টাকা অগ্নিবীমা পাইয়ে দেওয়ার চুক্তিতে কাগজে কলমে ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড রায়পুর শাখার সহযোগিতায় অগ্নিবীমার টাকা আত্মসাতের নয়া কৌশলের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, ২মার্চ দিবাগত রাতে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার বাণিজ্যিক বাজার হায়দারগঞ্জ এ  অগ্নিকান্ডে ২০টি দোকান পুড়ে ব্যাবসায়ীদের ৩ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে অনেক দোকানের অগ্নিবীমা না থাকায় অন্যান্য ক্ষতিহীন ব্যাবসায়ীরাও অগ্নিবীমার টাকা পেতে প্রতারণার আশ্রয় নেয়। অভিযোগ উঠেছে, জুয়েল ষ্টোর নামে ক্ষতিগ্রস্থ দোকান দেখিয়ে পার্শ¦বর্তী জনি ষ্টোর এ অগ্নি বীমার টাকা আত্মসাতের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।  জনি ষ্টোর এর নামে অগ্নি বীমা না থাকায় পার্শ্ববর্তী দোকনদার জুয়েল ষ্টোর তার দোকনের সাইনবোর্ড খুলে জনি ষ্টোর কে জুয়েল ষ্টোর দাবী করেন। জুয়েল ষ্টোর এর নামে ইসলামী ব্যাংক রায়পুর শাখায় সিসি লোনের সাথে ১০লক্ষ টাকার অগ্নি বীমা থাকায় এ প্রতারণার আশ্রয় নেয় বলে জানা যায়। ইসলামী ব্যাংক রায়পুর শাখার অসাধু কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় এ ধরণের অগ্নি বীমার টাকা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে আর্থিক লেনদেন রয়েছে বলে সূত্র জানায়। ইসলামী ব্যাংকের এ ধরণের মূল ক্ষতিগ্রস্থ ব্যাবসায়ীদের পাশে না দাঁড়িয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আগুনে দোকান না জ্বললেও কাগজ পত্রে ক্ষতিগ্রস্থ দেখিয়ে অগ্নি বীমার টাকা উত্তোলনের অযৌক্তিক তৎপরতায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে । যোগযোগ করা হয় ১০লক্ষ টাকার অগ্নি বীমা দাবিদার জুয়েল ষ্টোর এর স্বত্বাধিকারী মোঃ হোসেন বলেন, জনি ষ্টোর এর নামে অগ্নি বীমা নেই। তাই জুয়েল ষ্টোর আগুনে পোড়া না গেলেও ১০লক্ষ টাকা পাওয়ার জন্য আমি জুয়েল ষ্টোরকে জনি ষ্টোর দেখাই। দুইটি দোকানেই আমার দু ছেলের নামে, সাইন বোর্ড পরিবর্তন করলে দোষের কিছু নেই।
এ ব্যাপারে রায়পুর শাখার ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজার মোঃ সহিদুল ইসলাম  অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান,অন্তত পক্ষে  ইসলামী ব্যাংক দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সবসময় স্বোচ্ছার। এ কাজ জুয়েল ষ্টোর এর মালিক হোসেন কোনদিনই মিথ্যে বলে বীমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে পারবে না। এ ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকান্ড এড়িয়ে চলা উচিত বলে তিনি মনে করেন।