লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও বরগুনা ৪৮৫ বিএনপি নেতাকর্মীর জামিন

গত ২৯ জানুয়ারি বিএনপির গণমিছিলে পুলিশের গুলিতে চারজন বিএনপি কর্মী নিহত হওয়ার পরে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, বরগুনা কুড়িগ্রাম, ফরিদপুর ও নিলফামারী জেলা বিএনপির ৪৮৫ জন নেতাকর্মীকে আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।আজ বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহসান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।জামিন প্রাপ্তরা হলেন লক্ষ্মীপুরের ১৭৭ জন, চাঁদপুরের ৪৯ জন, বরগুনার ১৩৮ জন, কুড়িগ্রামের ৭০জন, ফরিদপুরের ৩৫জন এবং নিলফামারীর ১৬ জন।বিএনপি নেতাকর্মীদের পক্ষে আদালতে জামিন আবেদনের শুনানি করেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহম্মেদ, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।
ব্যারিস্টার মওদুদ আহম্মেদ জানান, লক্ষ্মীপুরে পুলিশ দুজন বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে। আবার তাদের বিরুদ্ধেই পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তিন দিন পরে আবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এরজন্য ক্ষমা চেয়েছে। আমরা এ বিষয়গুলো আদালতে বলেছি। আদালত লক্ষ্মীপুরের ১৭৭ জন বিএনপি নেতাকর্মীকে জামিন দিয়েছেন।
অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন জানান, গত ২৯ জানুয়ারি পুলিশ বিএনপির গণমিছিলে হামলা করে মানুষ হত্যা করেছে। গণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে পুলিশ আবার বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেছে। এতে সরকারের সরাসরি ইন্ধন রয়েছে। তিনি বলেন, ২৯ জানুয়ারি পুলিশের ওপর হামলার বরগুনার ১৩৮ জন বিএনপি নেতাকর্মীকে আদালত জামিন দিয়েছেন।অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন জানান, চাঁদপুরের যে দুইজন বিএনপি কর্মীকে পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে তাদেরসহ ৬০ জন বিএনপি নেতাকর্মীকে আসামী করে পুলিশ বিস্ফোরক আইন ও ৩০২ ধারায় মামলা দায়ের করে। যে দুইজনকে পুলিশ হত্যে করা তারা এ মামলার ২৯ ও ৩০ নম্বর আসামী। আদালত ওই মামলার ৪৯ জনকে আগাম জামিন দিয়েছেন।