ঘটনায় পুলিশের কোন গাফিলতি ছিল কি না? তা তদ্ন্ত করে দেখার জন্য চট্রগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি বিশ্বাস আফজাল হোসেন, কে সভাপতি ও চট্রগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরে আলম কে সদস্য করে ২ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে তদন্তের দল লক্ষ্মীপুরে এসে সার্কিট হাউসে উঠে। পরে বেলা ২ টার দিকে তদন্ত টিম সংঘর্ষের ঘটনারস্থল দক্ষিণ তেমুহনী,সংখ্যালুঘু গৌরাঙ্গ ড্রাইভারের বাড়ী ও রতন মাঝির বাড়ী যান। শোভারাণী সহ একাধিক লোক সংঘর্ষের বর্ণনা দেন।
সংঘর্ষের ঘটনারস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের তদন্ত টিমের সভাপতি ও বিভাগীয় অতিরিক্ত ডিআইজি বিশ্বাস আফজাল হোসেন জানান, তিনি উধর্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে রোববারের ঘটনাটি তদন্তের জন্য এখানে এসেছেন। মানুষদের সাথে কথা বলেছেন, আরো বলবেন, তদন্তে যদি পুলিশের বাড়াবাড়ি, ব্যর্থতা যদি থাকে তা হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, তদন্ত টিমের সদস্য চট্রগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরে আলম, লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ জমসের আলী মামলার বাদী এসআই এনামুল কামাল তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবদুল জলিল।
এ দিকে বিকেলে ৩ টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র আবু তাহের লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে তদন্তের টিমের সঙ্গে দেখা করেন। পরে তদন্ত টিম লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে আহত সদর থানার ওসি গোলাম সরওয়ার ও অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন।
