রায়পুরে শিক্ষার কোচিং ব্যবসা জমজমাট



আতোয়ার রহমান মনির- রায়পুর উপজেলার শহরে বিভিন্ন স্থানে ফুল টাইম নামকরণ করে ব্যাঙ্গের ছাতার মত গজিয়ে ওঠা অসংখ্য কোচিং সেন্টারে। শিক্ষকদের কথামত শিক্ষার্থীদের অভিবাবকগণ উদ্বিগ্ন করে চলছে রমরমা শিক্ষার নামে কোচিং ব্যবসা । এতে এ ফাদে না পড়তে পেড়ে গরীব অসহায় শিক্ষার্থীরা ্ ভালফলাফলের আশায় পড়ালেখা কে করছে বিপর্যয় ।সরকারী নীতিমালা তোয়ক্কা না করে বেসরকারী এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজের অসাধু শিক্ষকরা ্ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক কোচিং ক্লাশ করতে বাধ্য করছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। আর ক্লাশে ভালোমতন শিক্ষা না দিয়ে কোচিং সেন্টারে সকাল-সন্ধ্যা থাকায় পাঠদানে ব্যস্তহয়ে পড়েন অসাধু শিক্ষকরা।সূত্রে জানা গেছে -স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা স্ব-স্ব বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের কোচিং সেন্টারে ক্লাশ করতে অস্বীকৃতি জানালে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় তাদের ফলাফলের বিপর্যয় এবং অকীতকার্য দেখানো হয় বলে অনেক শিক্ষার্থীর অভিযোগ।কোচিং কে নতুন নামকরণ করে ফুল টাইম নামদিয়ে উপজেলার প্রায় তিন শতাধিক কোচিং সেন্টার গড়ে ওঠেছে।এসব কোচিং সেন্টারে শিক্ষকরা শহর, গ্রাম-গঞ্জের, হাট-বাজারশহ বিভিন্ন স্থানে চটকদার সাইনবোর্ড, ব্যানার টানিয়ে এবং এসব সাইন বোর্ডে শতাধিক পাশের নিশ্চয়তা দিয়ে জমজমাটভাবে কোচিং বাণিজ্য করে যাচ্ছে। এবং এতে শিক্ষার্থীরাও হচ্ছে আকৃষ্ট । এদিকে সরকারী বেসরকারী রেজিঃ স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা সরকারি বেতন ভাতাসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা গ্রহন করার পরও ্ওইসব বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা ও পাঠদান না দিয়ে অবৈধ পন্থায় কোচিং সেন্টার গড়ে তুলে শিক্ষাথীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।এর ফলে স্কুল কলেজের পড়ালেখা বিদ্যালয়মুখী না হয়ে কোচিং সেন্টার মুখী হচ্ছে। অপরদিকে, তাদের নীতিমালা না থাকায় অভিবাবকমহল উঠকন্ঠা প্রকাশ করছে। নাম প্রকামে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক এ প্রতিনিধিকে জানান, তিনি কোচিং বাণিজ্যের সাথে জড়িত না থাকলেও বিদ্যালয়ের অন্যান্য সুযোগ সুবিদা থেকে বিরত রাখা হবে।
অভিভাবক হাছন আলীর জানান ,হেতান রা লিপলেট এ লেখেন সস্তান আপনাদের আর গড়ার দায়িত্ব আমাদের এভাবেই তারা প্রতারণার মাধ্যমে কোন রকম ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করায়ে শিক্ষাকে করছে ব্যবসা ।সূত্র জানিয়েছে,রায়পুরসহ বিভিন্ন উপজেলায় গড়ে ওঠা কোচিং সেন্টারগুলোতে শিক্ষকদের সাথে সরকারী কর্মকর্তা কর্মাচারীদের সাথে যোথভাবে ব্যবসা করে যাচ্ছে যা সম্পূর্ণ নিয়মবর্হিভূত এবং অবৈধ। এ ব্যপারে স্কুল কলেজের পড়ালেখার মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ একান্ত প্রয়োজন বলে মনে করছে অভিবাবক মহল। যোগাযোগ করা হলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন,কিছু প্রতিষ্টান তাদের ছাত্র ছাত্রীদের শতভাগ পাশের নিচ্ছয়তায় অতিরিক্ত সার্ভি দিচেছ। এ টা কোচিং ব্যবসার আয়োতায় আসে না