ছাগী বলৎকার করে গ্রাম ছাড়লেন লম্পট ছফিউল্যা

লক্ষ্মীপুর ঃ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় কোরবানের উদ্দেশ্যে কেনা ছাগী কে লম্পট ছফিউল্যা(৩৫) কর্তৃক বলৎকার হওয়া ছাগী কে জবাই করে মাংস মাটিতে পুতে ফেলার বৃহস্পতিবার ফতোয়ায় হুজুরের রায় ঘোষনা করা হয়। বিষয় টি বিচারের প্রার্থনায় ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত ঘরালে বৃহস্পতিবার সকালে বিচারে ভয়ে গ্রাম ছাড়লেন লম্পট ছফিউল্যা।হাস্যকর ও লজ্জাকর ঘটনাটি ঘটেছে ২২ অক্টোবর (শনিবার) লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ২নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের আয়াত উল্যা বেপারী বাড়িতে। জানা যায়, একই এলাকার স্বামী পরিত্যাক্তা পেয়ারাবেগম (৪০) কোরবানীর উদ্দেশ্যে একটি ছাগী ক্রয় করেন মাস খানেক আগে। ওই ছাগীকে ধরে নিয়ে লম্পট কালা ছফি উল্যা ২২ অক্টোবর বলৎকার করে। ওই সময় পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজন দেখে পেললে শোর চিৎকার করে। এতে আশেপাশের লোকজন হাতেনাতে ছফি উল্যাকে ধরে পেললে ছাগীর সাথে তাকে বেধে রাখে।বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ১০ হাজার টাকায় মুচলেকায় আয়াত উল্যা বেপারী ছেলের দোষ ডাকতে বিচারের আশায় ২নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন পরিষদে শালিসী বৈঠকে টাকা জমা দেয়। এদিকেবৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) ইউনিয়ন পরিষদের শালিসী বৈঠকের কথা থাকলেও লোকলজ্জার ভয়ে গ্রাম ছাড়া হয়ে ছাগী বলৎকার কালা ছফিউল্যা(৩৫)।
কোরবানীতে এ ছাগীর বৈধতা নিয়ে কয়েকজন মুসল্লী পেয়ারা বেগমকে পতোয়ার বিচারে হাজির করে। বিচারক হিসেবে ও পতোয়া রায়কারক চরবংশী মাদরাসাতুল বানাতের অধ্যক্ষ মাওলানা আলী আশরাফ রায় দেন ছাগীকে যেহেতু বলৎকার করা হয়েছে তাই রায় জবাই করে এর মাংস মাটিতে পুতে রাখতে হবে। এধরনের কাজ একটি জগন্ন কাজ হিসেবে মাওলানা দাবি করেন।এদিকে ছাগীর ক্রয় সূত্রে মালিক চরবংশী গ্রামের মৃত আলী আহাম্মদ দেওয়ানের স্ত্রী পেয়ারা বেগম সাংবাদিকদের জানান, বিচার পেতে অপেক্ষায় আছি। বৃহস্পতিবার বিচার হওয়ার কথা ছিল। লম্পট ছফিউল্যা পালিয়ে যাওয়ায় চেয়ারম্যান বিচারের বিলম্ব করছে। অপরদিকে বিচারের আগেই মুসল্লিদের পতোয়ায় আমার পালিত ছাগলটিকে জোবাই করে মাংস পুতে রাখতে হবে। এ কেমন কথা ,কি রায়? এ ব্যাপারে ২নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন মাষ্টার জানান, ছফি উল্যা কর্তৃক ছাগীকে বলৎকারের বিষয়টি আমার নিকট শালিসী অভিযোগ এসেছে। আমি বিষয় টি দ্রুত দুই পক্ষের কথাবার্তা শুনে মীমাংসা করে দেব।এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ছফিউল্লা বেপারীর সাথে যোগাযোগ চেষ্টাকরে তার মোবাইল ফোন বন্দ থাকা সহ গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় বক্তব্য নেয়া যায়নি।