আরএনএন ডেস্কঃ লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের জিয়াউল হক স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম পাইনের প্রতারনা শিকার হয়ে ২৮ শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। ফলে বিুব্ধ শিক্ষার্থীরা ১৫ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) অধ্যক্ষর পদত্যাগ দাবী করে কলেজে ভাংচুর চালিয়ে সব’কটি কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগি শিক্ষার্থীরা জানান, অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম পাইন কলেজে ব্যবসায় শিক্ষা (কমার্স গ্রুপ) চালু করা হয়েছে মর্মে গত ২০১১ ইং সালের এসএসসি পাশ ২৮জন শিক্ষার্থী ভর্তি করে। কিন্তু দীর্ঘ চারমাস অতিবাহিত হওয়ার পর অধ্যক্ষ জানান, কলেজে ব্যবসায় শিক্ষা খোলা সম্ভব হয়নি তোমরা সবাই মানবিক বিভাগে লেখাপড়া কর। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা বিুব্ধ হয়ে উঠে অধ্যক্ষের নিকট ছাড়পত্র দাবী করে। অধ্যক্ষ ছাড়পত্র দিতে অসম্মতি জানালে বিুব্ধ শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার কলেজে হামলা চালিয়ে ১৪টি কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এসময় তারা অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম পাইনের পদত্যাগ দাবীতে কলেজে বিক্ষোভ মিছিল করে।
এলাকাবাসী জানান, গত বছর দুয়েক পুর্বেও অধ্যক্ষ এভাবে প্রতারনা করে কিছু শিক্ষার্থী ভর্তি করে। সেসময় একই পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় পরবর্তিতে পাশ্ববর্তি জয়পুরা কলেজ থেকে তাদেরকে পরীক্ষার ব্যবস্থা করে দেন। কলেজ শিক্ষকদের একটি সূত্রে জানা যায়, অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম ভর্তির শুরুতে বোর্ড থেকে কমার্সে ভর্তির অনুমতি হয়েছে মর্মে জানানোর পর ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করা হয়েছে। এখন জানতে পারলাম বোর্ড থেকে কোন অনুমতি দেয়া হয় নাই। একটি সূত্রে জানা যায়, অধ্যক্ষ নিজে তা বুঝতে পেরে একই শিক্ষার্থীদের মানবিক শাখায় কৌশলে ভর্তি করে রাখেন।
এব্যপারে অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম পাইন মোবাইলে ঘটনাটি স্বীকার করে জানান, আমরা ব্যবসা শিক্ষার খোলার অনুমতি চেয়ে বোর্ডে আবেদন জানিয়েছি। বর্তমানে তা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, গত বছর দুয়েক পুর্বেও অধ্যক্ষ এভাবে প্রতারনা করে কিছু শিক্ষার্থী ভর্তি করে। সেসময় একই পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় পরবর্তিতে পাশ্ববর্তি জয়পুরা কলেজ থেকে তাদেরকে পরীক্ষার ব্যবস্থা করে দেন। কলেজ শিক্ষকদের একটি সূত্রে জানা যায়, অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম ভর্তির শুরুতে বোর্ড থেকে কমার্সে ভর্তির অনুমতি হয়েছে মর্মে জানানোর পর ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করা হয়েছে। এখন জানতে পারলাম বোর্ড থেকে কোন অনুমতি দেয়া হয় নাই। একটি সূত্রে জানা যায়, অধ্যক্ষ নিজে তা বুঝতে পেরে একই শিক্ষার্থীদের মানবিক শাখায় কৌশলে ভর্তি করে রাখেন।
এব্যপারে অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম পাইন মোবাইলে ঘটনাটি স্বীকার করে জানান, আমরা ব্যবসা শিক্ষার খোলার অনুমতি চেয়ে বোর্ডে আবেদন জানিয়েছি। বর্তমানে তা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আরএনএন/রামগঞ্জ/এগার/সে/১৫/১
