রায়পুর সংবাদদাতাঃ
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের শাসনামলে গত পৌনে তিন বছরে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় পাঁচজন ইউএনও বদলি হয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকজন ইউএনও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের রোষানলে পড়ে বদলির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সর্বশেষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রায়হান কাওছার ৪ সেপ্টেম্বর বদলি হন। ওই দিনই নতুন ইউএনও হিসেবে যোগ দেন দুলাল চন্দ্র সূত্রধর।
প্রশাসনিক সূত্র জানায়, নিয়মানুযায়ী একজন ইউএনও বিশেষ কোনো ঘটনা না ঘটলে ন্যূনতম তিন বছর এক উপজেলায় দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু এই উপজেলার সর্বোচ্চ পদের কর্মকর্তাদের ঘন ঘন বদলির কারণে সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সব উন্নয়ন পরিকল্পনার গতি মন্থর হয়ে গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৮৩ সালে রায়পুর উপজেলা হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ২০ জন ইউএনও এখানে দায়িত্ব পালন করেছেন। সবচেয়ে বেশি ইউএনও বদলির ঘটনা ঘটেছে বর্তমান মহাজোট সরকারের সময়ে।
প্রশাসনিক সূত্র জানায়, বর্তমান সরকার মতায় আসার পরপরই ইউএনও সরোজ কুমার নাথকে বদলি করা হয়। এরপর সাদেকুর রহমান যোগ দেন এই পদে। আড়াই মাসের মাথায় তাঁকেও বদলি করা হয়। পরে খলিলুর রহমান এলে তিনি মাত্র ২৬ দিনের মাথায় বদলি হন। এরপর ইউএনও গোপাল চন্দ্র দাস ১৩ মাস এবং রায়হান কাওছার প্রায় ছয় মাস দায়িত্ব পালনের পর বদলি হন।
ওই পাঁচ ইউএনওর মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, মূলত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি তোজাম্মেল হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে বিরোধের জের ধরেই বদলির শিকার হচ্ছেন এখানকার ইউএনওরা। তোজাম্মেল হোসেন বিভিন্ন সময়ে সরকারি প্রকল্প থেকে অর্থ দাবি করেন। সে দাবি মেটাতে না পারলেই নাখোশ হন এই আওয়ামী লীগ নেতা।
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর) আসনের বিএনপিদলীয় সাংসদ আবুল খায়ের ভূঁইয়া বলেন, ঘন ঘন ইউএনও বদলি অনাকাঙ্তি ও নজিরবিহীন। এভাবে বদলির মধ্য দিয়ে প্রশাসনের ওপর মহাজোট সরকারের নগ্ন হস্তেেপরই বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। ভীতি সৃষ্টি করে অবৈধ সুবিধা নিতেই বারবার উপজেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদের বদলি করা হচ্ছে।
উপজেলা চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হোসেন দাবি করেন, প্রশাসন তার নিজস্ব গতিতেই চলছে। প্রশাসনিকভাবেই সব ইউএনও বদলি হয়েছেন। ইউএনওদের কাছে অর্থ দাবির অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের শাসনামলে গত পৌনে তিন বছরে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় পাঁচজন ইউএনও বদলি হয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকজন ইউএনও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের রোষানলে পড়ে বদলির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সর্বশেষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রায়হান কাওছার ৪ সেপ্টেম্বর বদলি হন। ওই দিনই নতুন ইউএনও হিসেবে যোগ দেন দুলাল চন্দ্র সূত্রধর।
প্রশাসনিক সূত্র জানায়, নিয়মানুযায়ী একজন ইউএনও বিশেষ কোনো ঘটনা না ঘটলে ন্যূনতম তিন বছর এক উপজেলায় দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু এই উপজেলার সর্বোচ্চ পদের কর্মকর্তাদের ঘন ঘন বদলির কারণে সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সব উন্নয়ন পরিকল্পনার গতি মন্থর হয়ে গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৮৩ সালে রায়পুর উপজেলা হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ২০ জন ইউএনও এখানে দায়িত্ব পালন করেছেন। সবচেয়ে বেশি ইউএনও বদলির ঘটনা ঘটেছে বর্তমান মহাজোট সরকারের সময়ে।
প্রশাসনিক সূত্র জানায়, বর্তমান সরকার মতায় আসার পরপরই ইউএনও সরোজ কুমার নাথকে বদলি করা হয়। এরপর সাদেকুর রহমান যোগ দেন এই পদে। আড়াই মাসের মাথায় তাঁকেও বদলি করা হয়। পরে খলিলুর রহমান এলে তিনি মাত্র ২৬ দিনের মাথায় বদলি হন। এরপর ইউএনও গোপাল চন্দ্র দাস ১৩ মাস এবং রায়হান কাওছার প্রায় ছয় মাস দায়িত্ব পালনের পর বদলি হন।
ওই পাঁচ ইউএনওর মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, মূলত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি তোজাম্মেল হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে বিরোধের জের ধরেই বদলির শিকার হচ্ছেন এখানকার ইউএনওরা। তোজাম্মেল হোসেন বিভিন্ন সময়ে সরকারি প্রকল্প থেকে অর্থ দাবি করেন। সে দাবি মেটাতে না পারলেই নাখোশ হন এই আওয়ামী লীগ নেতা।
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর) আসনের বিএনপিদলীয় সাংসদ আবুল খায়ের ভূঁইয়া বলেন, ঘন ঘন ইউএনও বদলি অনাকাঙ্তি ও নজিরবিহীন। এভাবে বদলির মধ্য দিয়ে প্রশাসনের ওপর মহাজোট সরকারের নগ্ন হস্তেেপরই বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। ভীতি সৃষ্টি করে অবৈধ সুবিধা নিতেই বারবার উপজেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদের বদলি করা হচ্ছে।
উপজেলা চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হোসেন দাবি করেন, প্রশাসন তার নিজস্ব গতিতেই চলছে। প্রশাসনিকভাবেই সব ইউএনও বদলি হয়েছেন। ইউএনওদের কাছে অর্থ দাবির অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।
