রায়পুর প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চর মোহনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আরও ৮ ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে গত ৫ মাসে এ বিদ্যালয়ের ৫৭ জন ছাত্রী পর্যায়ক্রমে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ অসুস্থতার ঘটনা নিয়ে পুরো এলাকার অভিভাবক, কিার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতংক দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকরা দফায় দফায় বিদ্যালয় পরিদর্শন করলেও অবস্থার কোন উন্নতি ঘটেনি।
গতকাল সোমবার লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান ও সিভিলি সার্জন ডাঃ সালাহ উদ্দিন শরীফ বিদ্যালয় পরিদর্শন কালে তাদের সামনেই ৮ জন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। শিক ও অবিভাবকরা জানায়, আক্রান্ত ছাত্রীদের প্রথমে মাথা ঝিম ঝিম করে। পরে অজ্ঞান হয়ে শ্রেণী কে গড়াগড়ি করতে থাকে। মুখ দিয়ে লালা বের হয় এবং জ্ঞান ফিরে এলে তারা অসংলগ্ন কথা বলে থাকে।
এঘঠনাকে অনেকে জ্বিনের আসর মনে করে। জ্বিন তাড়াতে স্থানীয় ঈমাম খোনারের কাছে ছুটছেন। তাদের পরামর্শে মিলাদ ও দোয়া ঈমাম দিয়ে সূরা জ্বিন পাঠসহ নানা তদ্বির করেও কোন ফল পাননি। তবে এবিষয়ে কেউ ক্যামরার সামনে আসতে রাজি হননি।
বার বার কণ্যা শিার্থীরাই এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিদ্যালয়টিতে কোন শিকিা নেই। ৫জন পুরুষ শিক রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ রোগ নিয়ন্ত্রনে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে।
সিভিল সার্জন ডাঃ সালা উদ্দিন শরীফ জানান, এটা ম্যাস সাইকোজেনিক ইলনেস রোগ। একই ধরনের মানসিক চাপ থাকলে এ রোগ হতে পারে।
তিনি বলেন, আমরা রোগ নিয়ন্ত্রন করতে পারছিনা। মনোরোগ ও মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ দিয়ে উচ্চ পর্যায়ের টীম প্রেরনের জন্য মন্ত্রনালয়ে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে।
গতকাল সোমবার লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান ও সিভিলি সার্জন ডাঃ সালাহ উদ্দিন শরীফ বিদ্যালয় পরিদর্শন কালে তাদের সামনেই ৮ জন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। শিক ও অবিভাবকরা জানায়, আক্রান্ত ছাত্রীদের প্রথমে মাথা ঝিম ঝিম করে। পরে অজ্ঞান হয়ে শ্রেণী কে গড়াগড়ি করতে থাকে। মুখ দিয়ে লালা বের হয় এবং জ্ঞান ফিরে এলে তারা অসংলগ্ন কথা বলে থাকে।
এঘঠনাকে অনেকে জ্বিনের আসর মনে করে। জ্বিন তাড়াতে স্থানীয় ঈমাম খোনারের কাছে ছুটছেন। তাদের পরামর্শে মিলাদ ও দোয়া ঈমাম দিয়ে সূরা জ্বিন পাঠসহ নানা তদ্বির করেও কোন ফল পাননি। তবে এবিষয়ে কেউ ক্যামরার সামনে আসতে রাজি হননি।
বার বার কণ্যা শিার্থীরাই এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিদ্যালয়টিতে কোন শিকিা নেই। ৫জন পুরুষ শিক রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ রোগ নিয়ন্ত্রনে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে।
সিভিল সার্জন ডাঃ সালা উদ্দিন শরীফ জানান, এটা ম্যাস সাইকোজেনিক ইলনেস রোগ। একই ধরনের মানসিক চাপ থাকলে এ রোগ হতে পারে।
তিনি বলেন, আমরা রোগ নিয়ন্ত্রন করতে পারছিনা। মনোরোগ ও মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ দিয়ে উচ্চ পর্যায়ের টীম প্রেরনের জন্য মন্ত্রনালয়ে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে।

