রায়পুর সংবাদদাতাঃ
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চরলক্ষ্মী গ্রামের ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প ৬ বছর ধরে লালফিতায় বন্দি। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) লক্ষ্মীপুর বিভাগীয় কার্যালয় থেকে দুবার প্রকল্প তৈরি করা হলেও আজ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। লক্ষ্মীপুর পাউবোর বিভাগীয় কার্যালয় সূত্র জানায়, ২০০০ সালে ৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৫'শ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা প্রদানের জন্য হাজিমারা-চরমণি বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। নির্মাণের শুরুতে বেড়িবাঁধ থেকে ১ কিলোমিটার দূরে মেঘনার অবস্থান ছিল। ২০০৫ সালে চরলী গ্রাম এলাকায় মেঘনা নদীর ভান শুরু হয়। নদী ভাঙনের শুরুতে ভাঙন প্রতিরোধের জন্য পাউবোর লক্ষ্মীপুর বিভাগীয় কার্যালয় থেকে ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প তৈরি করা হয়। তা অনুমোদনের জন্য কর্তৃপরে নিকট প্রেরণ করা হলে প্রকল্পটি অনুমোদন হয়নি। নদীর অব্যাহত ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করলে ২ বছরের মধ্যে হাজিমারা-চরমণি বেড়িবাঁধটি মেঘনা নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। নদী ভাঙনের পরিধি বেড়ে যাওয়ায় ভাঙন প্রতিরোধসহ প্রকল্পের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে ওই দপ্তর থেকে আবার ২০০৭-০৮ অর্থ বছরের ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যায়ে প্রকল্প তৈরি করে কর্তৃপরে কাছে প্রেরণ করা হয়।
সরেজমিন জানা গেছে, চরলী গ্রামের ২ হাজার একর আবাদি জমি ও শতাধিক ঘরবাড়িসহ হাজিমারা-চরমণি বেড়িবাঁধের প্রায় ৩ কিলোমিটার মেঘনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হাজিমারা-চরমণি বাঁধের জব্বার মোল্লা খালের ওপর সোয়া কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ড্রেনেজ এখন নদী ভাঙনের মুখে রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে এটি নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। হুমকির মুখে আছে মোল্লারহাট বাজার, স্থানীয় ইউপি কমপ্লেক্স ভবন, চাঁদপুর সেচ প্রকল্প।
দণি চরবংশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ বলেন, নদীর ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প বাস্তবায়ন না হওয়ায় এক সময়ের সচ্ছল লোকেরা এখন ভূমিহীন। তাদের শত বছর আগের ঘর-বাড়িগুলো নদীতে বিলীন গেছে। সিআইপি বাঁধ তিগ্রস্ত হলে ১০ লাধিক মানুষের ভোগান্তি চরম আকারে ধারণ করবে।
লক্ষ্মীপুর পাউবোর বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন বেগ জানান, ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প অনুমোদন না হওয়ায় তাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না।
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চরলক্ষ্মী গ্রামের ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প ৬ বছর ধরে লালফিতায় বন্দি। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) লক্ষ্মীপুর বিভাগীয় কার্যালয় থেকে দুবার প্রকল্প তৈরি করা হলেও আজ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। লক্ষ্মীপুর পাউবোর বিভাগীয় কার্যালয় সূত্র জানায়, ২০০০ সালে ৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৫'শ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা প্রদানের জন্য হাজিমারা-চরমণি বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। নির্মাণের শুরুতে বেড়িবাঁধ থেকে ১ কিলোমিটার দূরে মেঘনার অবস্থান ছিল। ২০০৫ সালে চরলী গ্রাম এলাকায় মেঘনা নদীর ভান শুরু হয়। নদী ভাঙনের শুরুতে ভাঙন প্রতিরোধের জন্য পাউবোর লক্ষ্মীপুর বিভাগীয় কার্যালয় থেকে ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প তৈরি করা হয়। তা অনুমোদনের জন্য কর্তৃপরে নিকট প্রেরণ করা হলে প্রকল্পটি অনুমোদন হয়নি। নদীর অব্যাহত ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করলে ২ বছরের মধ্যে হাজিমারা-চরমণি বেড়িবাঁধটি মেঘনা নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। নদী ভাঙনের পরিধি বেড়ে যাওয়ায় ভাঙন প্রতিরোধসহ প্রকল্পের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে ওই দপ্তর থেকে আবার ২০০৭-০৮ অর্থ বছরের ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যায়ে প্রকল্প তৈরি করে কর্তৃপরে কাছে প্রেরণ করা হয়।
সরেজমিন জানা গেছে, চরলী গ্রামের ২ হাজার একর আবাদি জমি ও শতাধিক ঘরবাড়িসহ হাজিমারা-চরমণি বেড়িবাঁধের প্রায় ৩ কিলোমিটার মেঘনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হাজিমারা-চরমণি বাঁধের জব্বার মোল্লা খালের ওপর সোয়া কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ড্রেনেজ এখন নদী ভাঙনের মুখে রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে এটি নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। হুমকির মুখে আছে মোল্লারহাট বাজার, স্থানীয় ইউপি কমপ্লেক্স ভবন, চাঁদপুর সেচ প্রকল্প।
দণি চরবংশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ বলেন, নদীর ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প বাস্তবায়ন না হওয়ায় এক সময়ের সচ্ছল লোকেরা এখন ভূমিহীন। তাদের শত বছর আগের ঘর-বাড়িগুলো নদীতে বিলীন গেছে। সিআইপি বাঁধ তিগ্রস্ত হলে ১০ লাধিক মানুষের ভোগান্তি চরম আকারে ধারণ করবে।
লক্ষ্মীপুর পাউবোর বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন বেগ জানান, ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প অনুমোদন না হওয়ায় তাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না।
