রায়পুর সংবাদদাতাঃ
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার মেঘনা নদীর ওপর নির্ভরশীল জেলেরা দাদন চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। বাজারে ইলিশের চড়া দাম থাকা সত্ত্বেও মহাজনদের বেঁধে দেওয়া দামেই তাদের ইলিশ বিক্রি করতে হচ্ছে। এ নিয়ে জেলেদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রায়পুর উপজেলার দণি চরবংশী, উত্তর চরবংশী, দণি চরআবাবিল ও উত্তর চরআবাবিল ইউনিয়নের প্রায় ১০ হাজার জেলে বংশপরম্পরায় নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। মাছ ধরা ও বিক্রি করাই তাদের একমাত্র উপার্জনের পথ। কিন্তু কয়েক বছর ধরে নদীতে মাছ কম পাওয়ায় হারিয়ে গেছে জেলেদের সুদিন। রূপালি ইলিশ ধরা না পড়ায় তারা এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
এদিকে সরকারি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দাদন ব্যবসায়ীরা টাকা সুদে-আসলে আদায় করার জন্য নিরীহ জেলেদের নদীতে জাটকা ধরতে বাধ্য করেন। কয়েক বছর ধরে মেঘনায় জাটকা নিধন বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতায় ইলিশ আমদানি কিছুটা বেড়ে যায়। কিন্তু জেলেদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। নাইয়াপাড়াসহ জেলে অধ্যুষিত এলাকার জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মহাজনদের কাছে দাদনের কারণে জেলেরা বাঁধা থাকছে আষ্টেপৃষ্ঠে। ফলে ইলিশের দাম বাড়লেও মহাজনদের বেঁধে দেওয়া দামেই তাদের বিক্রি করতে হচ্ছে।
জেলেদের শতকরা ৯-১০ জনের নিজস্ব ইঞ্জিনচালিত নৌকা আছে। বাকিরা মহাজনদের কাছ থেকে নৌকা ও ট্রলার ভাড়া নিয়ে নদীতে মাছ শিকার করতে যায়। এসব জেলে মহাজনদের দাদনের জালে জিম্মি হয়ে পড়ছেন।
জেলে মোঃ দুলাল ও বশির উল্যা জানান, বছরের পর বছর ধরে তারা দাদন ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি। তাদের পে না আছে প্রশাসন না আছে জনপ্রতিনিধি।
মেঘনা নদী সংলগ্ন এলাকায় সরকারি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে জেলেদের কম সুদে ঋণ দিলে তারা আর দাদন ব্যবসায়ীদের দ্বারস্থ হতেন না। ব্যাংকের ঋণ না পেয়ে মহাজনের কাছ থেকে দাদনে টাকা নিতে বাধ্য হন তারা। এ ছাড়া জাল, নৌকাও নিতে হয় মহাজনের কাছ থেকে। অনেক সময় নদীতে বেশি মাছ ধরা পড়লে এবং বাজারে মাছের দাম চড়া থাকলেও জেলেদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় না। চরবংশী নাইয়ারাপাড়া জেলে ভুক্তভোগী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তফা বেপারী বলেন, 'মেঘনা পাড়ে মহাজনদের বেঁধে দেওয়া দামেই ইলিশ বিক্রি করতে হয়। বাজারে ইলিশের হালির দাম ১৫০০ টাকা হলেও দাদন ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করতে হয় ৮০০ টাকা। চরবংশী এলাকার দাদন ব্যবসায়ী মোঃ দাদন খান বলেন, জেলেদের প্রায় ২ কোটি টাকার দাদন দিয়েছি। নদীতে যখন মাছ থাকে না তখন জেলেরা এ দাদন নিয়ে থাকে। তবে বাজার দামেই জেলেদের কাছ থেকে মাছ নেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বেলাল হোসেন পাটওয়ারী বলেন, দাদন ব্যবসা অবৈধ। দাদনের টাকা দিয়ে জেলেদেরকে শোষণ করা হয়। বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার মেঘনা নদীর ওপর নির্ভরশীল জেলেরা দাদন চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। বাজারে ইলিশের চড়া দাম থাকা সত্ত্বেও মহাজনদের বেঁধে দেওয়া দামেই তাদের ইলিশ বিক্রি করতে হচ্ছে। এ নিয়ে জেলেদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রায়পুর উপজেলার দণি চরবংশী, উত্তর চরবংশী, দণি চরআবাবিল ও উত্তর চরআবাবিল ইউনিয়নের প্রায় ১০ হাজার জেলে বংশপরম্পরায় নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। মাছ ধরা ও বিক্রি করাই তাদের একমাত্র উপার্জনের পথ। কিন্তু কয়েক বছর ধরে নদীতে মাছ কম পাওয়ায় হারিয়ে গেছে জেলেদের সুদিন। রূপালি ইলিশ ধরা না পড়ায় তারা এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
এদিকে সরকারি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দাদন ব্যবসায়ীরা টাকা সুদে-আসলে আদায় করার জন্য নিরীহ জেলেদের নদীতে জাটকা ধরতে বাধ্য করেন। কয়েক বছর ধরে মেঘনায় জাটকা নিধন বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতায় ইলিশ আমদানি কিছুটা বেড়ে যায়। কিন্তু জেলেদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। নাইয়াপাড়াসহ জেলে অধ্যুষিত এলাকার জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মহাজনদের কাছে দাদনের কারণে জেলেরা বাঁধা থাকছে আষ্টেপৃষ্ঠে। ফলে ইলিশের দাম বাড়লেও মহাজনদের বেঁধে দেওয়া দামেই তাদের বিক্রি করতে হচ্ছে।
জেলেদের শতকরা ৯-১০ জনের নিজস্ব ইঞ্জিনচালিত নৌকা আছে। বাকিরা মহাজনদের কাছ থেকে নৌকা ও ট্রলার ভাড়া নিয়ে নদীতে মাছ শিকার করতে যায়। এসব জেলে মহাজনদের দাদনের জালে জিম্মি হয়ে পড়ছেন।
জেলে মোঃ দুলাল ও বশির উল্যা জানান, বছরের পর বছর ধরে তারা দাদন ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি। তাদের পে না আছে প্রশাসন না আছে জনপ্রতিনিধি।
মেঘনা নদী সংলগ্ন এলাকায় সরকারি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে জেলেদের কম সুদে ঋণ দিলে তারা আর দাদন ব্যবসায়ীদের দ্বারস্থ হতেন না। ব্যাংকের ঋণ না পেয়ে মহাজনের কাছ থেকে দাদনে টাকা নিতে বাধ্য হন তারা। এ ছাড়া জাল, নৌকাও নিতে হয় মহাজনের কাছ থেকে। অনেক সময় নদীতে বেশি মাছ ধরা পড়লে এবং বাজারে মাছের দাম চড়া থাকলেও জেলেদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় না। চরবংশী নাইয়ারাপাড়া জেলে ভুক্তভোগী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তফা বেপারী বলেন, 'মেঘনা পাড়ে মহাজনদের বেঁধে দেওয়া দামেই ইলিশ বিক্রি করতে হয়। বাজারে ইলিশের হালির দাম ১৫০০ টাকা হলেও দাদন ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করতে হয় ৮০০ টাকা। চরবংশী এলাকার দাদন ব্যবসায়ী মোঃ দাদন খান বলেন, জেলেদের প্রায় ২ কোটি টাকার দাদন দিয়েছি। নদীতে যখন মাছ থাকে না তখন জেলেরা এ দাদন নিয়ে থাকে। তবে বাজার দামেই জেলেদের কাছ থেকে মাছ নেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বেলাল হোসেন পাটওয়ারী বলেন, দাদন ব্যবসা অবৈধ। দাদনের টাকা দিয়ে জেলেদেরকে শোষণ করা হয়। বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
