ডেস্কঃ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় পূর্ব কেরোয়া গ্রামের সাহাবুদ্দীন কে হত্যা করে লাশ গুম করার অভিযোগে মূল হোতা সহ ৩ জনকে আটক করেছে রায়পুর থানা পুলিশ। সাহাবুদ্দীন নামের ওই বৃদ্ধ অনেকদিন খুঁজে না পাওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) হত্যা করে লাশ গুম করার কথা প্রকাশ পায়।
জানা যায়, উপজেলা পূর্ব কেরোয়া গ্রামের ইসমাইল আলী বেপারী বাড়ির সাহাবুদ্দিন (৬০) কে ৩ মাস ধরে খূঁজে না পেয়ে নিহতের প্রথম স্ত্রীর ছেলে মিলন ১৮ সেপ্টেম্বর লক্ষ্মীপুর আদালতে একটি অপহরণ মামলা করে।
পুলিশ মামলার এজাহার ও ভাড়াটিয়া খুনীর স্বীকারোক্তি সহ একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গুম হওয়া লাশের আলামত তার বাড়ির পাশবর্তী একটি গর্ত থেকে উদ্ধারের করে। পুলিশ ওই সময় মামলার এজাহারভূক্ত বিল্লাল, আনোয়ার উল্যা ও মূল হোতা নিশানকে গ্রেফতার করে কোর্টে প্রেরণ করে।
অভিযোগ ওঠেছে জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ভাড়াটিয়া খুনি নিশানের সহযোগিতা নিয়ে তার দু'ছেলে মিজান, মিলন ও মেয়ে নাজু এ হত্যা কান্ড ঘটায়। খুনি নিশানের দাবিকৃত পঞ্চাশ হাজার টাকা না দেওয়ায় এ তথ্য ফাঁস হয়ে যায়। এলাকাবাসী নিশানের নিকট খুনের ঘটনা শুনে স্থানীয় চেয়ারম্যান মাওলানা নাজমূল হুদার উপস্থিতিতে স্ব্যা নেয়। ওই সময় কয়েকজন যুবক নিশানের স্বীকারোক্তি মোবাইলে সংরণ করে। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে নিশানকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে ভাড়াটিয়া খুনি নিশান ঘটে যাওয়া ঘটনার পূণঃ বর্ণনা দেয়। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক পুলিশ নিহতের ঘরের পাশের একটি গর্ত থেকে লুঙ্গি, গামছা, পাঞ্জাবী সহ আলামত উদ্ধার করে। ওই সময় পুলিশ বিল্লাল, আনোয়ার উল্যা সহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে। পরে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে থেকে নিহতের প্রথম স্ত্রী সবুরা, মেয়ে নাজু, ছেলে মিলনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয়।
স্বামী গুম হওয়ার সহ খুনীদের গ্রেফতারের খবর শুনে নোয়াখালীর চৌমুহনী এলাকার আলীপুর গ্রামে বসবাসরত দ্বিতীয় স্ত্রী শাফিয়া খাতুন ৬ ছেলে ১ মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে রায়পুরের পূর্ব কেরোয়া গ্রামের ইসমাইল বেপারী বাড়ির স্বামী সাহাবুদ্দীনের ভিটায় উপস্থিত হন। ওইসময় দ্বিতীয় স্ত্রী শাফিয়া খাতুন কান্না জড়িত কন্ঠে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তার স্বামী সাহাবুদ্দীন হত্যার জন্য তার প্রথম ঘরের সন্তান মিজান ও মিলন মেয়ে নাজু দায়ী। দ্বিতীয় স্ত্রীর দাবী, প্রথম স্ত্রী সহ সন্তানরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়াই প্রমাণ করে তারা হত্যার সাথে জড়িত। রায়পুর থানার ওসি রতন কৃষ্ণ নাথ ও তদন্ত কর্মকর্তা এস আই জাকির হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ব্যাপারে তদন্তের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা এস আই জাকির হোসেন বলেন, ভাড়াটিয়া খুনির স্বীকারোক্তিতে অনুযায়ী গুম হওয়া লাশ উদ্ধার না হলেও কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে শিখানো কথায় ভাড়াটিয়া খুনী এ হত্যা কান্ডের পেছনে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রথম ঘরের সন্তান ও মামলার বাদী মিজান ও মিলনের নাম উল্লেখ করে। খুনীর স্বীকারোক্তি কারো শিখানো কিনা সেজন্য আদালতে তাকে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। মামলার তদন্ত সাপেক্ষে এই মুহুর্তে আর কিছু বলা যাচ্ছেনা বলে তিনি জানান।
জানা যায়, উপজেলা পূর্ব কেরোয়া গ্রামের ইসমাইল আলী বেপারী বাড়ির সাহাবুদ্দিন (৬০) কে ৩ মাস ধরে খূঁজে না পেয়ে নিহতের প্রথম স্ত্রীর ছেলে মিলন ১৮ সেপ্টেম্বর লক্ষ্মীপুর আদালতে একটি অপহরণ মামলা করে।
পুলিশ মামলার এজাহার ও ভাড়াটিয়া খুনীর স্বীকারোক্তি সহ একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গুম হওয়া লাশের আলামত তার বাড়ির পাশবর্তী একটি গর্ত থেকে উদ্ধারের করে। পুলিশ ওই সময় মামলার এজাহারভূক্ত বিল্লাল, আনোয়ার উল্যা ও মূল হোতা নিশানকে গ্রেফতার করে কোর্টে প্রেরণ করে।
অভিযোগ ওঠেছে জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ভাড়াটিয়া খুনি নিশানের সহযোগিতা নিয়ে তার দু'ছেলে মিজান, মিলন ও মেয়ে নাজু এ হত্যা কান্ড ঘটায়। খুনি নিশানের দাবিকৃত পঞ্চাশ হাজার টাকা না দেওয়ায় এ তথ্য ফাঁস হয়ে যায়। এলাকাবাসী নিশানের নিকট খুনের ঘটনা শুনে স্থানীয় চেয়ারম্যান মাওলানা নাজমূল হুদার উপস্থিতিতে স্ব্যা নেয়। ওই সময় কয়েকজন যুবক নিশানের স্বীকারোক্তি মোবাইলে সংরণ করে। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে নিশানকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে ভাড়াটিয়া খুনি নিশান ঘটে যাওয়া ঘটনার পূণঃ বর্ণনা দেয়। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক পুলিশ নিহতের ঘরের পাশের একটি গর্ত থেকে লুঙ্গি, গামছা, পাঞ্জাবী সহ আলামত উদ্ধার করে। ওই সময় পুলিশ বিল্লাল, আনোয়ার উল্যা সহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে। পরে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে থেকে নিহতের প্রথম স্ত্রী সবুরা, মেয়ে নাজু, ছেলে মিলনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয়।
স্বামী গুম হওয়ার সহ খুনীদের গ্রেফতারের খবর শুনে নোয়াখালীর চৌমুহনী এলাকার আলীপুর গ্রামে বসবাসরত দ্বিতীয় স্ত্রী শাফিয়া খাতুন ৬ ছেলে ১ মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে রায়পুরের পূর্ব কেরোয়া গ্রামের ইসমাইল বেপারী বাড়ির স্বামী সাহাবুদ্দীনের ভিটায় উপস্থিত হন। ওইসময় দ্বিতীয় স্ত্রী শাফিয়া খাতুন কান্না জড়িত কন্ঠে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তার স্বামী সাহাবুদ্দীন হত্যার জন্য তার প্রথম ঘরের সন্তান মিজান ও মিলন মেয়ে নাজু দায়ী। দ্বিতীয় স্ত্রীর দাবী, প্রথম স্ত্রী সহ সন্তানরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়াই প্রমাণ করে তারা হত্যার সাথে জড়িত। রায়পুর থানার ওসি রতন কৃষ্ণ নাথ ও তদন্ত কর্মকর্তা এস আই জাকির হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ব্যাপারে তদন্তের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা এস আই জাকির হোসেন বলেন, ভাড়াটিয়া খুনির স্বীকারোক্তিতে অনুযায়ী গুম হওয়া লাশ উদ্ধার না হলেও কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে শিখানো কথায় ভাড়াটিয়া খুনী এ হত্যা কান্ডের পেছনে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রথম ঘরের সন্তান ও মামলার বাদী মিজান ও মিলনের নাম উল্লেখ করে। খুনীর স্বীকারোক্তি কারো শিখানো কিনা সেজন্য আদালতে তাকে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। মামলার তদন্ত সাপেক্ষে এই মুহুর্তে আর কিছু বলা যাচ্ছেনা বলে তিনি জানান।
