রায়পুরে পাওয়ার টিলারের কদর বাড়ছে

আতোয়ার রহমান মনির: লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় গরুর পরিবর্তে বেড়েছে পাওয়ার টিলারের কদর। অন্যদিকে মানুষ বাসযোগ্য আবাসের জন্য আবাসযোগ্য জমির পরিমাণও দিন দিন কমে যাচ্ছে। কৃষকরা আগের তুলনায় নতুন নিয়মে দো-ফসলী ও তিন ফসলী জমিতে রূপান্তর করছে। আর এটা সম্ভব হচ্ছে যান্ত্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে।
যখন মানুষ কম ছিল তখন জমিতে একবার ফসল ফলানো হতো গরু টানা লাঙ্গল দিয়ে চাষ করে। কিন্তু বর্তমানে কৃষকের গোয়ালও নেই আর গোয়াল ভরা গরুও নেই। এখন কৃষকরা এক জোড়া গরু কিনতে গেলে তাদের নগদ ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা গুনতে হয়। আর এ কারণে অধিকাংশ কৃষক গরুর পরিবর্তে পাওয়ার টিলার ব্যবহার করছেন। উপজেলা চর আবাবিল গ্রামের কৃষক ফরিদ শিকদার ও বাচ্ছাু আসমানীয়া জানান, গরু থাকলে তাকে প্রতিদিন খাওয়াতে হবে এবং এর দেখা শোনার জন্য একজন লোক রাখতে হবে। আর লোক রেখে গরু পালতে অনেক খরচ হবে। তাই তারা এখন গরুর পরিবর্তে কম খরচে পাওয়ার টিলার দিয়ে চাষাবাদ করতে আগ্রহী হয়ে পড়েছেন। কারণ এতে খরচ ও সময় দু’্িটই কম লাগে কিন্তু অধিক জমি চাষাবাদ করা যায়।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ ইকবাল হোসেন জানান, বর্তমানে পাওয়ার টিলারে চাষাবাদের ফলে মাটির উর্বরতা রায় অনেক কেঁচো মারা যায়। যার ফলে উৎপাদিত ফসল উর্বর শক্তি কম থাকে। তবে গরু দ্বারা চাষাবাদে উৎপাদিত ফসলের উর্বর শক্তি বেশি থাকে। বর্তমান প্রোপটে চাষীরা সময় ও অর্থ বাাঁচাতেই পাওয়ার টিলারের মাধ্যমে চাষ-বাস শুরু করেছেন।